চিঠি নং – ৩ | শেষ চিঠি | পত্রকাব্য | Last letter

মেঘলার চিঠির মাঝে রুদ্রও একটি চিঠি লিখেছিল।

০৯/১১/২০১২

মেঘলা,

আমার শুভেচ্ছা ও ভালবাসা নিও। তুমি আমাকে কাল রাতে ফোন দাওনি। জানাওনি তোমার পড়া কতদুর। আমি কাল রাতে তোমার ফোনের অপেক্ষায় ছিলাম। কিন্তু তুমি ফোন দাওনি। এতে আমার অনেক কষ্ট হয়, তুমি হয়তো জানো না। মেঘলা আমি হয়তো তোমার সাথে অনেক জড়িয়ে পড়েছি। আমি প্রতিটা মুহূর্ত তোমাকে ভাবি এবং তোমাকে আমি কল্পনায় খুঁজে নিয়ে অনুভব করি। বলতে আমার দ্বিধা নেই “আমি হয়তো এ পৃথিবীতে তোমাকে সবচেয়ে বেশি ভালবাসি।“তোমাকে হয়তো আগে বলেছি ভালবাসার মানুষটিকে কাছে না পাওয়ার দুঃখ অনেক বেশি। তোমাকে কাছে না পেয়ে আমার অনেক কষ্ট হয়। তাই আমি তোমার সাথে কথা বলার মাধ্যমে এ কষ্টকে ভুলতে চেষ্টা করি। কিন্তু তুমি যখন ফোন না দাও তখন কষ্ট অনেক বেড়ে যায়। ভালবাসার মানুষটিকে কাছে না পাওয়ার কষ্ট যে এত বেশি তা আমি তোমাকে ভালবেসে বুঝতে পেরেছি। তোমার একটু ভালবাসা পেলেই আমার নতুন মনে হয় পুরানো জীবনটাকে। তুমি হয়তো জানো আমার অনেক ভয় তোমাকে হারানোর। আমি তোমাকে আমার জীবনের চেয়েও বেশি ভালবাসি। এই মেঘলা তুমি আমাকে কখনও ভুলে যেওনা। আমি তোমাকে কখনই ভুলতে পারব না। আমি সারা জীবন তোমার হয়ে থাকব। পরীক্ষাটা কেমন হয়েছে জানিও। আমার আত্মবিশ্বাস তুমি শুধুই আমার। ফোন না দেওয়াতে আমি রাগ করিনা তবে আমার অনেক কষ্ট হয়। আর আমাকে কষ্ট দিতে কি তোমার ভাল লাগে। নিচে ফাঁকা জায়গায় জানিও জান।

 

(প্রতিউত্তরে মেঘলা ঐ চিঠির নিচে ফাঁকা জায়গায় লিখে পাঠায়-)

পরীক্ষা ভালো হয়েছে। আর আমার ঘড়ি নষ্ট হয়ে গেছে এজন্য রাতে অ্যালার্ম বাজে নি। আমি উঠতে পারিনি এজন্য তোমাকে ফোন দেইনি। তুমি ভাবলে কি করে তোমাকে আমার কষ্ট দিতে ভাল লাগে। তুমি জান তোমাকে ফোন দিতে না পেরে আমারও অনেক কষ্ট হয়েছে। কার কখনও এমন কোন কথা বলবা না যাতে আমি কষ্ট পাই। আমি তোমাকে অনেক ভালবাসি। সত্যি, সত্যি।

                (মেঘলা )

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link
Powered by Social Snap